বিনোদন ডেস্ক 

নিখুঁত অভিনয় আর চিরসবুজ সৌন্দর্য দিয়ে যিনি জয় করেছেন দুই বাংলার কোটি দর্শকের হৃদয়, সেই গ্লামারাস নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসান এর জন্মদিন আজ। যার কাছে বয়স যেন কেবলই একটি সংখ্যা মাত্র ।
জয়া মাসউদ থেকে আজকের জয়া আহসান হয়ে ওঠার গল্পটা দারুণ অনুপ্রেরণার। ক্যারিয়ারের শুরুতে মডেলিং এবং ছোট পর্দায় অভিনয় করে নজর কাড়েন তিনি। তবে তার আসল জাদু অপেক্ষা করছিল বড় পর্দার জন্য।
২০০৪ সালে ‘ব্যাচেলর’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় জয়ার।
তবে ‘গেরিলা’ সিনেমাতে বিলকিস বানু চরিত্রে অভিনয় তাকে এনে দেয় ব্যাপক প্রশংসা ও জাতীয় স্বীকৃতি। এরপর ‘চোরাবালি’ ‘দেবী’র সিনেমায় অভিনয় করে নিজেকে ভেঙে চুরে উপস্থাপন করেছেন জয়া। প্রতিটি চরিত্রকে পর্দায় জীবন্ত করে তুলে তিনি জয় করেছেন একাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ২০১৩ সালে বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ কান চলচ্চিত্র উৎসবে আমন্ত্রণ পান জয়া আহসান।
সীমানা পেরিয়ে কলকাতার সিনেমাতেও এখন সমান দাপট তার। ‘কণ্ঠ’, ‘বিনিসুতোয়’ কিংবা ‘অর্ধাঙ্গিনী’র মতো সিনেমা দিয়ে ওপার বাংলাতেও নিজের রাজত্ব তৈরি করেছেন তিনি। অর্জন করেছেন মর্যাদাপূর্ণ ফিল্মফেয়ার পুরস্কারও।
শুধু অভিনয় নয়, প্রাণী অধিকার রক্ষা এবং নানা সামাজিক কাজেও সবসময় সরব এই তারকা। একসময় জন্মদিনে কেক কেটে উদযাপন করলেও কয়েক বছর ধরে এই দিনে আর কেক কাটেন না জয়া আহসান।
২০১৭ সালের হোলি আর্টিজান হামলার পর থেকেই জন্মদিনের সেই আয়োজন বন্ধ করে দেন তিনি। তবে শুভাকাঙ্ক্ষীদের পাঠানো কেকের বেশির ভাগই বিল্ডিংয়ের নিরাপত্তাকর্মী ও আশপাশের মানুষের মধ্যে বিতরণ করেন। শুধু তাই নয়, বহু বছর ধরে নিজের জন্মদিনে রাস্তার কুকুরদেরও খাবার খাওয়ান জয়া। শুধু নিজের নয়, পরিবারের যে কারও জন্মদিনেই এই কাজটি করেন তিনি।
মন্তব্য করুন