গাইবান্ধা প্রতিনিধি 

“সবাই মিলে গড়বো দেশ ” দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গাইবান্ধায় দুর্নীতি দমন কমিশনের(দুদক)গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার জেলা ইনডোর স্টেডিয়ামে দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত রংপুর জেলা কার্যালয়ের আয়োজনে এবং গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহযোগিতায় এই গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। বেলা ১০ টায় শুরু হওয়া বিকেল পর্যন্ত দিনব্যাপী গণশুনানিতে দুর্নীতির শিকার সাধারণ মানুষ সরাসরি অভিযোগ জানান।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম, বিশেষ অতিথি দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক মোঃ মোতাহার হোসেন,মহাপরিচালক(প্রতিরোধ)মো.
গণশুনানিতে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি সব সহ ৩২ টি দপ্তরের বিরুদ্ধে ১ শত ১৮ টি অভিযোগ জমা পড়ে। এর মধ্যে ২২ টি অভিযোগ পুর্নাঙ্গ তথ্য প্রমান না থাকায় সেগুলো বাতিল করা হয়। এরপর ৯৬ টি অভিযোগের শুনানি হয়।
প্রথমে পাসপোর্ট অধিদপ্তর,পানি উন্নয়ন বোর্ড, গণপুর্ত অধিদপ্তর নানা অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে গনশুনানি হয়। পরে শুনানি হয় বাকি অধিদপ্তর গুলোর।
গণশুনানিতে প্রতিষ্ঠানের সেবা দাতা কর্মকর্তা ও সেবা গ্রহীতাদের উভয়ের মাঝে মধ্যস্থাতাকারীর দায়িত্ব পালন করেন অনুষ্ঠানটির সভাপতি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা।
এর মধ্যে ৯ টি অধিদপ্তরে প্রকাশ্যে এবং ১ টি গোপনে গোয়েন্দার মাধ্যমে অভিযোগের বিষয়ে দুদকে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত হয়।
যে সকর অধিদপ্তর গুলো প্রকাশ্যে অনুসন্ধান করবে দুদক সেগুলো হলো, গণপুর্ত বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, কাষ্টর্মস এন্ড ভ্যাট, পরিবেশ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ রেলওয়ে, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর, জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল ও সিভিল সার্জনের কার্যালয়। আর গোপনে গোয়েন্দা অনুসন্ধান চালানো হবে জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে।
বাকী অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং জেলা প্রশাসনকে দায়িত্ব দিয়ে তাৎক্ষণিক সমাধান দেয়া হয়।
মন্তব্য করুন