যুক্তরাষ্ট্রে ফের বিমান বিধ্বস্ত, হতাহতের শঙ্কা
যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে দুই আরোহী ও চারজন পাইলটসহ ছয়জন ছিলেন।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উত্তর-পূর্ব ফিলাডেলফিয়ার রুজভেল্ট বুলেভার্ড ও কটম্যান অ্যাভিনিউ এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এটি ফিলাডেলফিয়া থেকে মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের স্প্রিংফিল্ডে যাচ্ছিল।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, ফিলাডেলফিয়ার জরুরি ব্যবস্থাপনা কার্যালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (পূর্বে টুইটার) দুর্ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, এটি একটি বড় দুর্ঘটনা এবং আশপাশের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সাধারণ জনগণকে ওই এলাকা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এডিএসবি এক্সচেঞ্জের ডেটা অনুযায়ী, উড্ডয়নের পর বিমানটি ১,৬৫০ ফুট উচ্চতায় পৌঁছানোর পর হঠাৎ নিচে নামতে শুরু করে। চূড়ান্ত অবতরণগত গতি ছিল প্রতি মিনিটে ১১,০০০ ফুট।
একজন এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার বিমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছিলেন। লাইভ এটিসি ডট নেট-এ শোনা যায়:
“মেডিভ্যাক মেড সার্ভিস, নর্থইস্ট টাওয়ার। আপনি কি ফ্রিকোয়েন্সিতে আছেন?”
এর এক মিনিট পর কন্ট্রোলার বলেন, “আমরা একটি হারানো বিমান পেয়েছি।”
জেট রেসকিউ নামের সংস্থা, যা এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা পরিচালনা করে, জানিয়েছে, ফ্লাইটটিতে একজন শিশু রোগী, তার অভিভাবক এবং চারজন ক্রু সদস্য ছিলেন। সংস্থাটি আরও জানায়, “এই মুহূর্তে, আমরা কোনো জীবিত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারছি না।”
ফিলাডেলফিয়ার মেয়র চেরেল পার্কার জানিয়েছেন, বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটির আঘাতে বেশ কয়েকটি বাড়ি ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে তিনি নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করতে পারেননি। সিএনএনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান কেওয়াইডাব্লিউ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
জেট রেসকিউ এক বিবৃতিতে বলেছে, “পরিবারের সদস্যদের না জানানো পর্যন্ত কোনো নাম প্রকাশ করা হবে না। আমাদের তাৎক্ষণিক উদ্বেগ হলো রোগীর পরিবার, আমাদের কর্মী, তাদের পরিবার এবং অন্য ভুক্তভোগীরা। আরও তথ্য পাওয়া গেলে জানানো হবে।”
এর আগে, স্থানীয় সময় বুধবার ওয়াশিংটনের রিগ্যান ন্যাশনাল এয়ারপোর্টে সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার ও একটি যাত্রীবাহী প্লেনের সংঘর্ষ ঘটে। ওই দুর্ঘটনায় ৬৭ জনের মৃত্যু হয়।
মন্তব্য করুন