আরসিটিভি ডেস্ক 

পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অতিগুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে খাল খনন। জনস্বার্থে এই কাজকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। সারাদেশে এই খাল খননের মাধ্যমে অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখল মুক্ত হবে। অবৈধ দখলমুক্ত করতে গিয়ে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ আইনি জটিলতা দেখা দিতে পারে। ওইসব বিষয়গুলো আমরা জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে মোকাবেলা করব। বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে চাঁদপুর সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১৬ মে সদরের শাহ মাহমুদপুর ইউনিয়নে বিশ্ব খাল খনন উদ্বোধনী স্থান পরির্দশন করেন।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নতুন করে আবারও খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছেন। নতুন উদ্যমে এই খাল খনন কর্মসূচির ফলে দেশে অবৈধ খাল দখল বন্ধ হবে এবং দেশের জনগণ উপকৃত হবেন। তবে কিছু কিছু জায়গায় আমাদের অবৈধভাবে দখলকৃত খাল উদ্ধারে আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে হবে। এজন্য আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা নেব। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশে জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি নতুন বাংলাদেশ নতুন আঙ্গিকে, নতুন করে শুরু করতে চাই। এ জন্য সবার সহযোগিতা চাই।
মন্ত্রী বলেন, সারাদেশের খালগুলো খালের স্থানেই রয়েছে। কেউ যদি অবৈধভাবে কোনো কিছু গড়ে তুলে, স্বাভাবিকভাবে তাকে ওই স্থান থেকে তা উঠিয়ে নিয়ে যেতে হবে। বাকি আইনগতভাবে মোকাবেলা করব আমরা। তবে আমাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য মহৎ। নতুন আঙ্গিকে ও নতুন উদ্যমে একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। এর জন্য সবার সহযোগিতা বিশেষভাবে প্রয়োজন।
তিনি বলেন, মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউ রহমান খাল খননের কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। যা ছিল একটি আন্দোলন ও বিপ্লব। সেই ধারাবাহিকতায় তার জ্যেষ্ঠ সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারাদেশের কয়েকটি স্থানে খাল খনন উদ্বোধন করেছেন। আবার অনেক জেলায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রীরা কার্যক্রম শুরু করেছেন। একযোগে এই খাল খনন জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে এবং জনগণ এর সুবিধা পাচ্ছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ বছর এই খাল খনন কর্মসূচি পড়েছিল। কোনো সরকার এসব কর্মসূচির উদ্যোগ নেননি। যার ফলে অনেক জায়গায় খালের পাড়ে জমি দখল হয়েছে। খালের মধ্যে বর্জ্য কিংবা আবর্জনা স্তূপ হয়ে আছে। এগুলোকে আমরা সম্পূর্ণভাবে অবৈধ দখল বলতে পারি।
এ সময় চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, চাঁদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য এম এ হান্নান, সাবেক সংসদ সদস্য হারুনুর রশিদ, জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান, পুলিশ সুপার (এসপি) মো. রবিউল হাসান, জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাড. সলিম উল্যাহ সেলিম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএমএন জামিউল হিকমাসহ সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন