গাইবান্ধা প্রতিনিধি 

যমুনা নদীর ওপর গাইবান্ধার ফুলছড়ি ও জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাটের মধ্যে ‘দ্বিতীয় যমুনা বহুমুখী সেতু’ নির্মাণের দাবিতে আজ ১৫ জুন ২০২৬ তারিখে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি ঐতিহাসিক স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ঘাট দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় কমিটি’র পক্ষ থেকে চরাঞ্চলের সর্বস্তরের মানুষের গণস্বাক্ষর সম্বলিত এই স্মারকলিপি পেশ করা হয়।
স্মারকলিপিতে উত্তরবঙ্গের কোটি মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির লক্ষ্যে ৩টি প্রধান দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।
১. দ্বিতীয় যমুনা বহুমুখী সেতু নির্মাণ: যমুনা নদীর দুই চ্যানেলে দুটি পৃথক সেতু (বেগম খালেদা জিয়া সেতু ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সেতু) এবং মাঝখানের স্থায়ী চরে ২০ ফুট উঁচুতে একটি দৃষ্টিনন্দন আধুনিক কেন্দ্রীয় রেলওয়ে স্টেশন নির্মাণ।
২. কৃষিভিত্তিক ইপিজেড প্রতিষ্ঠা: চরের বুকে উৎপাদিত মরিচ, পেঁয়াজ, ভুট্টা, আলুসহ রবি শস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি আধুনিক ইপিজেড গড়ে তোলা।
৩. ‘চর ট্যুরিজম’ প্রকল্প: যমুনার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা।
আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে আজ এ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন ও নেতৃত্ব দেন কমিটির আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহমুদুন নবী টিটুল, সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার হাফিজুর রহমান বাবু, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এম এ সবুর, ভরতখালী ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক আর্মি, গজারিয়া ইউপি পরিষদ চেয়ারম্যান খোরশেদ আলী খান খুশু এবং সেতু বাস্তবায়ন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম টিটু, নাজমুল হুদা শাহীন ও জাহাঙ্গীর আলম।
নেতৃবৃন্দ জানান, ব্রিটিশ আমলের এই ঐতিহাসিক যোগাযোগ রুটটি চালু হলে উত্তরবঙ্গের সাথে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেটের দূরত্ব ও যাতায়াত সময় প্রায় অর্ধেক কমে যাবে এবং বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর যানবাহনের চাপ হ্রাস পাবে। এই মেগা প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য তারা সরকারের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন