পরীক্ষামূলক
LIVE TV

লেবাননের বিস্তীর্ণ অঞ্চল দখলের নীল নকশা ইসরায়েলের

লিতানি নদী পর্যন্ত দক্ষিণ লেবাননের নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ইসরায়েল। এজন্য দেশটি একটি পরিকল্পনাও সাজিয়েছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে লেবাননের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ইসরায়েলের দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেন, ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে একটি বাফার জোন তৈরি করে লিতানি নদী পর্যন্ত পুরো এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছে। স্থানীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দক্ষিণ লেবাননের প্রায় ৬ লাখ বাসিন্দা যারা সংঘাতের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, তারা উত্তর ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত নিজ বাড়িতে ফিরতে পারবেন না। সীমান্তের কাছাকাছি থাকা সব ঘরবাড়ি ধ্বংস করে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে লিতানি নদীর ওপর সেতুগুলোতেও হামলা করা হয়েছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আওন এসব হামলাকে ‘স্থল অভিযানের পূর্বাভাস’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে ওঠায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দক্ষিণ লেবাননে অভিযান ও দখলদারিত্ব আরও সম্প্রসারণের জন্য তার দেশের সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি নিজেদের লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত হামলা অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। রোববার (৩০ মার্চ) সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা জানান। খবর আল জাজিরার।

ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, উত্তরাঞ্চলের পরিস্থিতির মৌলিক পরিবর্তন করতে ইসরায়েল বদ্ধপরিকর। লেবাননে সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। নিজেদের লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী কঠোরভাবে অভিযান চালিয়ে যাবে।

২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা চালায়। এরপর ২ মার্চ থেকে লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ ইসরায়েল সীমান্তে হামলা শুরু করে। ফলশ্রুতিতে লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা ও দক্ষিণ লেবাননে স্থল অভিযান চালিয়ে আসছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

 

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন