ইসরাইলি বিমান হামলায় লেবানন-সিরিয়া সীমান্তে নিহত ২, আহত ১০
ইসরাইলি বিমান হামলায় লেবানন-সিরিয়া সীমান্তের জানতা শহরের কাছে দুজন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) আরব নিউজ-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, লেবাননের তুফাইল ও সিরিয়ার আসসাল আল-ওয়ার্দ সংযোগকারী সড়কে চারটি বিমান হামলা চালানো হয়।
🔹 এই সড়কটি হিজবুল্লাহর অস্ত্র পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।
🔹 সিরিয়ার যুদ্ধকালীন সময়ে হিজবুল্লাহ এটি নির্মাণ করেছিল, পরে লেবানন সড়কটি পাকা করে এবং সেখানে একটি নিরাপত্তা চৌকি স্থাপন করে।
🔹 হামলার ফলে সড়কের ওপর ৭ মিটার গভীর ও ১০ মিটার প্রশস্ত গর্ত সৃষ্টি হয়েছে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
হামলার পরবর্তী প্রতিক্রিয়া
➡️ জানতা ছাড়াও ইসরাইলি যুদ্ধবিমান ওয়াদি খালেদ সীমান্ত এলাকাতেও দুটি বিমান হামলা চালিয়েছে।
➡️ এটি ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান সংঘাতের অংশ, যা সম্প্রতি বালবেক-হারমেল প্রদেশেও হামলা চালিয়েছে।
➡️ হিজবুল্লাহর সংসদ সদস্য ইব্রাহিম আল-মুসাব্বি একে পরিকল্পিত উসকানি ও বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ বলে অভিহিত করেছেন।
ইসরাইলের অবস্থান
ইসরাইলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে:
✔️ হামলা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চালানো হয়।
✔️ লক্ষ্যবস্তুগুলো ছিল হিজবুল্লাহর সামরিক স্থাপনা, যা ইসরাইলের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছিল।
✔️ এর মধ্যে একটি ভূগর্ভস্থ সামরিক অবকাঠামো ছিল, যেখানে অস্ত্র উৎপাদন ও উন্নয়ন করা হতো।
✔️ সিরিয়া-লেবানন সীমান্তের আরও কিছু অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে, যা অস্ত্র পাচারে ব্যবহৃত হতো।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
➡️ মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি লেবাননকে পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছেন।
➡️ মিশর লেবাননের পুনর্গঠনে অংশ নিতে এবং তাদের সেনাবাহিনীকে সহায়তা দিতে প্রস্তুত।
➡️ মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আহমেদ আবদেলাত্তি, লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের কাছে এই প্রতিশ্রুতি দেন।
➡️ বৈরুতে অবস্থানকালে তিনি ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাহিদ জালালজাদেহর সঙ্গেও বৈঠক করেন।
➡️ নতুন সরকার গঠনে হিজবুল্লাহ অন্যতম প্রধান বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
➡️ ফরাসি ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তায় মিশরীয় কোম্পানিগুলো লেবাননের বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে সহায়তা দিতে প্রস্তুত।
মন্তব্য করুন