নীলফামারী প্রতিনিধি 

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ড. মোসা মাহমুদা খাতুনের জারি করা একটি চিঠিতে পাঁচটি বানান ভুল হয়েছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শুরু হয়েছে ব্যাপক সমালোচনা।
সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে ভুলে ভরা চিঠিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ছড়িয়ে পড়ে। এতে ওই শিক্ষা কর্মকর্তার দক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।
জানা যায়, সরকার নির্ধারিত সময়ে উপজেলার সকল শিক্ষক ও কর্মচারীকে সঠিক সময়ে আসার জন্য শিক্ষা কর্মকর্তা চিঠি টি জারি করেন। সেখানে উপযুক্ত বানানে লেখা উর্পযুক্ত, সূত্রের বানানে লেখা সুত্রের, সূচি বানানে লেখা সুচি, গ্রহণের বানানে লেখা গ্রহোন এবং প্রয়োজনীয় বানানে লেখা রয়েছে প্রোয়োজনীয়।
স্থানীয় বাসিন্দা হাসান আলী বলেন, একজন শিক্ষা কর্মকর্তা যিনি শিক্ষার বিষয় নিয়ে কাজ করেন, তিনি কয়েক কয়েক শব্দের চিঠি দিয়েছেন সেখানে বেশ কয়েকটা বানান ভুল করেছে। একজন শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে চিঠি দেওয়ার সময়ে আরও সতর্ক হওয়া উচিত।
আরেক বাসিন্দা আলমগীর হোসেন বলেন, সরকারি কর্মকর্তার চিঠিতে বানান ভুল হওয়ার বিষয়টি মোটেও ভালো ভাবে নেওয়া যায় না । পরবর্তীতে সরকারি চিঠি বা বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক হওয়া উচিত।
মাসুদ রানা বলেন, বাংলা বানান লেখার সময় যথেষ্ট সতর্কতা দরকার। যখন শিক্ষক বা শিক্ষা কর্মকর্তা নিজেরাই ভুল করেন, তখন সাধারণ মানুষের কাছে তা নেতিবাচক বার্তা দেয়।
এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ড. মোসা মাহমুদা খাতুন বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে জেনে চিঠির ভুল সংশোধন করা হয়েছে। এবিষয়ে বেশি কথা বলতে পারব না আমি একটা মিটিংয়ে আছি।#
মন্তব্য করুন