পরীক্ষামূলক
LIVE TV

ক্যারট সিড অয়েল ত্বকের জন্য কতটা ভালো?

শীতের অতি প্রিয় একটি সবজি গাজর। রান্নার পাশাপাশি কাঁচাও খাওয়া যায় এই সবজি। ভিটামিন এ, সি-তে ভরপুর এই সবজি এই মৌসুমে খেলে চোখের পাশাপাশি ত্বকের স্বাস্থ্যও উন্নত করতে পারবেন।

তবে গাজর না খেয়েও এই সবজির উপকারিতাগুলো মিলতে পারে।

এর জন্য ত্বকে মাখতে হবে ক্যারট সিড অয়েল।

কয়েক বছর যাবৎ ট্রেন্ডে এসেছে গাজরের তেল বা ক্যারট সিড অয়েল। কিন্তু এসেনশিয়াল অয়েল কেনার আগে অনেকেই বুঝতে পারেন না, এই তেল ত্বকে মাখা উচিত কি না। মাখলেই বা কী উপকার মিলবে।

এই দ্বন্দ্বে হয়তো রয়েছেন আপনিও। চলুন, তাহলে জেনে নেওয়া যাক ক্যারট সিড অয়েলের খুঁটিনাটি।

ত্বকে ক্যারট সিড অয়েল মাখলে কী কী উপকার মিলবে

পুষ্টিতে ভরপুর

ক্যারট সিড অয়েলের মধ্যে ক্যারোটেনয়েড, ভিটামিন এ, ভিটামিন ই, পটাশিয়াম, ফসফরাসের মতো পুষ্টি রয়েছে। এই উপাদানগুলো ত্বকের একাধিক সমস্যা প্রতিরোধ করে।

এ ছাড়া ত্বকের জেল্লা বাড়াতেও কাজ করে এই তেল।

হাইড্রেশন জোগায়

এই শীতের দিনে ত্বকের ওপর সুরক্ষা কবচের কাজ করে ক্যারট সিড অয়েল। এই তেলের মধ্যে যে ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, তা ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার কাজ করে। তাই শুষ্ক ত্বকের জন্যও উপকারী ক্যারট সিড অয়েল।

ক্ষত সারিয়ে তোলে

ক্যারট সিড অয়েলের মধ্যে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে।

এটি ত্বকের লালচে ভাব, জ্বালা ভাব, চুলকানি, প্রদাহ কমিয়ে দিতে সহায়ক। যেকোনো ধরনের ত্বকের ক্ষত সারিয়ে তুলতে উপযোগী ক্যারট সিড অয়েল।

বাড়ির খাবারেও এসিডিটি? যেভাবে সামলাবেন

ইউভি প্রোটেকশন

ইউভি রশ্মির হাত থেকেও ত্বককে বাঁচায় ক্যারট সিড অয়েল। এই তেলের মধ্যে যে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ত্বকের ক্ষয় প্রতিরোধ করে। শুধু রোদ নয়, ল্যাপটপ, মোবাইলের নীল আলো থেকেও ত্বককে সুরক্ষিত রাখে এই এসেনশিয়াল অয়েল।

কিভাবে ব্যবহার করবেন

ক্যারট সিড অয়েল ফেসিয়াল অয়েল হিসেবে ব্যবহার করা যায়। কিন্তু এটি হলো এক ধরনের এসেনশিয়াল অয়েল। তাই এটি সরাসরি মুখে মাখতে পারবেন না। যেকোনো ক্যারিয়ার অয়েলের সঙ্গে ক্যারট সিড অয়েল মিশিয়ে মাখতে পারেন। আমন্ড অয়েল বা অলিভ অয়েলের সঙ্গে ক্যারট সিড অয়েল মিশিয়ে ত্বকে মাখুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগেও মাখতে পারেন এই তেল।

 

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন