দাওয়াতে গেলে যেসব দোয়া পড়া সুন্নত
মেহমানদারি করা এবং মেহমানের জন্য দোয়া করা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর অন্যতম সুন্নত। যখন কেউ দাওয়াতে যায়, তখন মেজবানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত এবং তার জন্য দোয়া করা সুন্নত।
দাওয়াত শেষে পড়ার দোয়া
১. মেহমানের দোয়া:
اللّهُمّ أَطْعِمْ مَنْ أَطْعَمَنِيْ، وَاسْقِ مَنْ سَقَانِيْ.
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আতয়িম মান আতয়ামানি, ওয়াসকি মান সাকানি।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে যে খাইয়েছে তুমিও তাকে খাওয়াও, আমাকে যে পান করিয়েছে তুমিও তাকে পান করাও।
(মুসনাদে আহমাদ, হাদিস ২৩৮০৯)
২. রোজাদারের দোয়া:
أَفْطَرَ عِنْدَكُمُ الصّائِمُونَ، وَأَكَلَ طَعَامَكُمُ الأَبْرَارُ، وَصَلّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلاَئِكَةُ.
উচ্চারণ: ‘আফতারা ইনদাকুমুস সা-ইমুন, ওয়া আকালা তা-আমাকুমুল আবরার, ওয়াসাল্লাত আলাইকুমুল মালাইকা’।
অর্থ: রোজাদারেরা তোমাদের নিকট ইফতার করুক, নেককার লোকেরা তোমাদের খাবার গ্রহণ করুক আর ফেরেশতারা তোমাদের জন্য দোয়া করুক।
(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস ৩৮৫৬)
৩. বরকতের দোয়া:
اللَّهُمَّ بَارِكْ لَهُمْ فِيمَا رَزَقْتَهُمْ وَاغْفِرْ لَهُمْ وَارْحَمْهُمْ.
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা বারিক লাহুম ফিমা রাজাকতাহুম, ওয়াগফির লাহুম, ওয়ারহামহুম।
অর্থ: হে আল্লাহ! তাদের যে রিজিক দিয়েছ তাতে বরকত দান করুন, তাদেরকে ক্ষমা করুন এবং তাদের প্রতি দয়া করুন।
(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস ৩৮৫৫)
দাওয়াত শেষে দোয়া করা কেন সুন্নত?
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,
“মানুষের প্রতি যে কৃতজ্ঞ হয় না, সে আল্লাহর প্রতিও কৃতজ্ঞ হয় না।” (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস ৪৮১৩)
এ কারণে মেহমানের উচিত মেজবানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা এবং তার জন্য দোয়া করা।
মন্তব্য করুন