আরসিটিভি ডেস্ক 

চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী। তার মৃত্যুর পর ছাত্র-জনতার আন্দোলন নতুন মোড় নেয়। অথচ তার নামে বিশ্ববিদ্যালয়ে তোরণ, স্মৃতি জাদুঘর, স্মৃতিস্তম্ভ ও স্ট্রিট মেমোরি নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলেও এখনও মূল নির্মাণকাজ শুরু করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে ‘শহীদ আবু সাঈদ’ লেখা একটি সাইনবোর্ড ছাড়া আর কোনো চিহ্ন নেই। নেই কোনো গ্রাফিতি বা স্মৃতিচিহ্ন। একটি ছবি থাকলেও তা বিকৃত অবস্থায় রয়েছে। ‘স্ট্রিট মেমোরি’ স্থাপন করা হলেও সেখানেও নাম ও পরিচিতি অস্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
১৬ জুলাই বাদে আবু সাঈদকে নিয়ে তেমন কোনো আয়োজনও নেই বলে অভিযোগ শিক্ষার্থী ও সমন্বয়কদের। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা। সমন্বয়করা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার পাশাপাশি এই ব্যর্থতার দায় অন্তর্বর্তীকালীন ও বর্তমান সরকারেরও। তবে, স্থাপনা নির্মাণে বিলম্বের দায় স্বীকার করেছেন উপাচার্য।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এম শওকাত আলী বলেন, এটা আমার ওপর একটা বিশাল দায়। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে আমাদের চিঠির মাধ্যমে অনুমোদনও দিয়ে দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা হল আমরা আবু সাঈদের নামে করব।
যে স্থান থেকে আবু সাঈদ আজীবনের জন্য ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখিয়েছেন, ঠিক সেই স্থানেই যেন অনুপস্থিত জুলাই আন্দোলনের এই প্রথম শহীদ।
সূত্রঃ যমুনা নিউজ
মন্তব্য করুন