পরীক্ষামূলক
LIVE TV

বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক ফুটবলার মেসি—কেইন

ফুটবল তো অনেকেই খেলেন কিন্তু কজনই পারেন প্রতিপক্ষের কাছ থেকে প্রশংসা কাড়তে। হয়তো হাতে গোনা কয়েকজন।

আর ধারাবাহিকতার কথা উঠলে তালিকাটা আরোন সংক্ষিপ্ত হবে।

সেই তালিকায় নিশ্চিতভাবেই ওপরের দিকের একজন হবেন লিওনেল মেসি। যিনি কিনা অবলীলায় কাজটা সুনিপুণভাবে করতে পারেন। আটলান্টায় গতকাল সেই কাজটাই আরেকবার করলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়ের ম্যাচে কোনো গোল না পেলেও, তার অ্যাসিস্টেই আর্জেন্টিনার মুখে হাসি ফুটিয়েছেন এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্তিনেজ।

ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে অ্যাসিস্ট দুটি করেন মেসি। ৮৫ মিনিটের বিপরীতে জয়সূচক গোলটিতে সহায়তা করেন যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে। আর তাতেই ম্যাচে ৮৪ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে থাকা ইংল্যান্ডের হৃদয় ভেঙে বিশ্বকাপের ফাইনালের টিকিট পায় আর্জেন্টিনা।

নিজেদের হৃদয় ভাঙার কারিগর মেসি হলেও তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হ্যারি কেইন। ইংল্যান্ডের অধিনায়কের মতে, বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক ফুটবলার মেসি। ম্যাচ শেষে বায়ার্ন মিউনিখের স্ট্রাইকার বলেছেন, ‘লিও এখনো ফুটবলের সর্বোচ্চ স্তরের পারফর্মার। ম্যাচের একটা বড় সময়জুড়ে তাকে বেশ ভালোভাবেই আটকে রাখতে পেরেছিলাম আমরা। কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে যা হয়—যখনই ফাইনাল থার্ডে বল তাদের পায়ে যায়, তারা ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারে।

আজ ও (মেসি) ঠিক সেটাই করেছে। ও যে ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়, এমনি এমনি তো আর নয়।’

ম্যাচ হারায় নিজেদের ব্যর্থতাও দেখছেন কেইন। ৩২ বছর বয়সী স্ট্রাইকার বলেছেন, ‘আগেও বলেছি, শেষ ২০ মিনিট আমরা যে পরিমাণ জায়গা ছেড়েছি, তা হতাশাজনক। এই সুযোগটা শুধু তাকে (মেসি) নয়, অন্য খেলোয়াড়দেরও ম্যাচে ফিরে আসার এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছিল। যার ফলে তারা বলকে বিপজ্জনক সব জায়গায় পৌঁছে দিতে পেরেছিল। শেষ পর্যন্ত, তাদের থামানো আমাদের জন্য খুব কঠিন হয়ে পড়ে।’

 

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন