আরসিটিভি ডেস্ক 

ফুটবল খেলার মাইকিং করা নিয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ৪ ঘণ্টা ধরে চার গ্রামবাসীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশসহ অন্তত ২০০ লোক আহত হয়েছেন এবং ৫০টি দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) প্রথমে সংঘর্ষ শুরু হয়। এর জেরে শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়ে সংঘর্ষ প্রায় ৫ ঘণ্টা চলে এ সংঘর্ষ। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকালে মুনসুরাবাদ গ্রামের রাহাত নামে এক কিশোর ফুটবল খেলার মাইকিং করার সময় খাপুরা, সিংগারডাক ও মাঝিকান্দা গ্রামের কয়েকজন যুবক তাকে মারধর ও লাঞ্ছিত করে। এ ঘটনার জেরে সন্ধ্যায় মুনসুরাবাদ বাজারে প্রথম দফা সংঘর্ষ হয়। রাতে পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হলেও শনিবার সকাল ৭টা থেকে আবারও দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে চার গ্রামের মানুষ মুখোমুখি অবস্থানে নেয়।
মুনসুরাবাদ গ্রামের অধিবাসীরা ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মুনসুরাবাদ বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নেন। অন্যদিকে খাপুরা, সিংগারডাক ও মাঝিকান্দা গ্রামের লোকজন দেশিয় অস্ত্র, ঢাল ও সড়কিসহ হামিরদী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে জড়ো হন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উভয়পক্ষ ঘরবাড়ির ছাদ ও দোকানের আড়াল থেকে বৃষ্টির মতো ইট-পাটকেল ও কাঁচের বোতল নিক্ষেপ করতে থাকে। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে পুলিশের বেশ কয়েকজন সদস্যসহ উভয়পক্ষের দুই শতাধিক লোক আহত হয়েছেন।
আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে ভাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আল আমিন বলেন, সকাল থেকে ৮ গ্রামের লোকজন দেশিয় অস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে সংঘর্ষ চালায়। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণ বাইরে ছিল। আমাদের কয়েকজন পুলিশসহ গ্রামের অনেক লোকজন আহত হয়েছেন।
মন্তব্য করুন