জাতীয় নাকি স্থানীয়, কোন নির্বাচন আগে? জানালেন ইসি সানাউল্লাহ
জাতীয় ও স্থানীয় সরকারের নির্বাচন কোনটি আগে হবে—এ নিয়ে চলমান গুঞ্জনের অবসান ঘটালেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণা অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন (ইসি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
জাতীয় নির্বাচন আগে, স্থানীয় সরকারের সিদ্ধান্ত সরকারের হাতে
সোমবার রাজশাহীতে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইসি সানাউল্লাহ বলেন—
✅ “কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব জাতীয় সংসদ ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজন করা।”
✅ “স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। কমিশন শুধু সেটি বাস্তবায়ন করে।”
✅ “কবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে, তা সরকার সিদ্ধান্ত নিলে আমরা জানতে পারব।”
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের অঙ্গীকার
বর্তমান নির্বাচন কমিশন একটি ভঙ্গুর নির্বাচনী ব্যবস্থার মধ্যে দায়িত্ব নিয়েছে বলে মন্তব্য করেন সানাউল্লাহ।
তিনি বলেন—
🔹 “ভোটের অধিকার হারিয়ে যাওয়াই নির্বাচন বিতর্কের অন্যতম কারণ।”
🔹 “নতুন কমিশন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কাজ করবে।”
🔹 “প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরও অনেক নাগরিক ভোট দিতে পারেননি। এবার যেন কেউ বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়ে কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকতে হবে।”
বিগত বিতর্কিত নির্বাচনের সময় দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন—
🛑 “নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়, আমরাও না।”
🛑 “যদি কেউ অপরাধ করে থাকে, তাকে আইন-আদালতের মুখোমুখি হতে হবে। এটি নির্বাচন কমিশনের নয়, বরং আইন ও বিচার বিভাগের বিষয়।”
ইসির বক্তব্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনই আগে হবে। তবে সুনির্দিষ্ট সময় এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
মন্তব্য করুন