১১ রানে হেরে বাংলাদেশের বিদায়, ফাইনালে ভারত–পাকিস্তান
সেমিফাইনালে বাংলাদেশকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে পাকিস্তান। তাতে ৪১ বছরের ইতিহাসের প্রথমবার ভারত–পাকিস্তান ফাইনাল দেখতে যাচ্ছে এশিয়া কাপ। আগামী রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুবাইয়ে এই ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুবাইয়ে অঘোষিত সেমিফাইনালে বাংলাদেশকে ১১ রানে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করল সালমান আলীর দল। ১৩৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৪ রানে থেমেছে লাল সবুজরা।
এশিয়া কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করতে লক্ষ্যটা খুব একটা কঠিন ছিল না বাংলাদেশের। তবে ব্যাটারদের ব্যর্থতায় মাত্র ১৩৫ রানও তাড়া করা সম্ভব হয়নি। স্বল্প পুঁজি নিয়েও লাল সবুজদের হারিয়ে শিরোপার মঞ্চে পা রাখল পাকিস্তান।
শেষ ওভারে ২৩ রান দরকার ছিল ১ উইকেট হাতে থাকা বাংলাদেশের। তখন ক্রিজে ছিলেন মোস্তাফিজ ও রিশাদ! বল করছেন হারিস রউফ। জয় অবিশ্বাস্য। তবু আশা নিয়ে ব্যাট চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।
১ম বল—লেগ বাই ১ রান; ২য় বল—রিশাদ ৪ রান; ৩য় বল—ডট; ৪র্থ বল—রিশাদের ছক্কা!; ৫ম বল—ডট; ৬ষ্ঠ বল—ডট।
এর আগে পাকিস্তানের দেওয়া ১৩৬ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ উইকেট হারায় প্রথম ওভারেই। ব্যাটিং ইনিংসের ৫ম বলেই বিদায় নেন পারভেজ ইমন। দলীয় ১ রানে এক ওপেনারকে হারিয়ে যেন কিছুটা চাপেই পড়ে বাংলাদেশ।
সেই চাপ সামলে দলকে এগিয়ে নিতে ব্যর্থ হন তাওহীদ হৃদয়। ডট বল খেলে নিজের উপর চাপ বাড়াচ্ছিলেন হৃদয়। তা থেকে আর নিস্তার পাননি তিনি। ১০ বলে ৫ করে দলীয় ২৩ রানে বিদায় নেন তিনি।
এরপর বাংলাদেশ উইকেট হারায় নিয়মিত বিরতিতে। হৃদয়ের পর সাজঘরে ফিরেন সিফ হাসান। ভারতের বিপক্ষে ফিফটি করলেও আজ আউট হন ১৫ বলে ১৮ রানে।
দলীয় ২৯ রানে সাইফ ফেরার পর ৪৪ রানে বাংলাদেশ চতুর্থ উইকেট হারায় মেহেদি হাসান আউট হলে। এরপর দলকে আরও বিপদের দিকে ঠেলে দিয়ে আউট হন নুরুল হাসান ও জাকের আলি।
দলীয় ৭৩ রানে জাকের ৯ বলে ৫ রান করে আউট হলে হারের শঙ্কায় পড়ে বাংলাদেশ দল। এরপর ২৫ বলে ৩০ রান করে শামীম বিদায় নেন। শেষদিকে রিশাদ হোসেন চেষ্টা করলেও তাতে আর জয়ের দেখা পায়নি বাংলাদেশ।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানও দেখেছে ব্যাটিং ধ্বস। টাইগার বোলারদের তোপে দলটির টপ অর্ডার ব্যর্থ হয়। তবে শেষদিকে শাহিন আফ্রিদি-মোহাম্মদ হারিসদের চেষ্টায় নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৫ রানের সংগ্রহ গড়তে সক্ষম হয় পাকিস্তান।বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন তাসকিন।
মন্তব্য করুন