পরীক্ষামূলক
LIVE TV

‎কুড়িগ্রামে প্রতিমা তৈরির শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা

শারদীয় দুর্গাপূজা ঘনিয়ে আসায় কুড়িগ্রামের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে চলছে প্রতিমা তৈরির শেষ মুহূর্তের কাজ। কারিগররা দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা রঙ, অলংকার ও সাজসজ্জায়। পাশাপাশি প্যান্ডেল সাজানো ও পূজার সরঞ্জাম প্রস্তুতেও ব্যস্ত সময় পার করছেন সংশ্লিষ্টরা।

‎কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঘোগাদহ, দাশেরহাট, কাঁঠালবাড়ীর দেবালয় গ্রাম এবং রাজারহাট উপজেলার বৈদ্যেরবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে। শেষ সময়ে এসে কারিগরদের সঙ্গে স্ত্রী, মা, পুত্রবধূ ও সন্তানরাও কাজ করছেন।

‎কুড়িগ্রাম পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্যমতে, জেলার ৯টি উপজেলায় এ বছর মোট ৫১৭টি পূজা মণ্ডপে দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৫৫টি, রাজারহাটে ১৩১টি, উলিপুরে ১২৫টি, চিলমারীতে ২৪টি, নাগেশ্বরীতে ৬৯টি, ভুরুঙ্গামারীতে ২০টি, রৌমারীতে ৭টি, রাজিবপুরে ১টি, ফুলবাড়ীতে ৬৫টি এবং কুড়িগ্রাম পৌরসভায় ২০টি। যা গত বছরের তুলনায় ৩২টি বেশি।

‎প্রতিমার দামও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন কারিগররা। বৈদ্যেরবাজারের এক প্রতিমা শিল্পী জানান, গত বছর একটি প্রতিমা ২০-২২ হাজার টাকায় বিক্রি হলেও এবার তা বেড়ে ২৬-২৭ হাজার টাকায় উঠেছে। জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধির কারণে প্রতিমার দামও বেড়েছে বলে জানান তারা।

‎আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন ও স্থানীয় সংগঠনের সদস্যরা একসঙ্গে কাজ করছে। জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক সুভাস সরকার ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব স্বপন কুমার সাহা জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকরাও সজাগ রয়েছে।

‎‎এ বিষয়ে কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা ঘিরে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম। কুড়িগ্রামে ঝুঁকিপূর্ণ কোনো মন্দির নেই। সবাই মিলেমিশে আনন্দের সঙ্গে উৎসব উদযাপন করবে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন