কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি 

প্রতি বছর হাট থেকে রাজস্ব আয় কোটি কোটি টাকা হলেও বছরের পর বছর থেকে নেই সংস্কার, সড়কে খানাখন্দে ভরা ফলে ভোগান্তি আর দুর্ভোগে ব্যবসায়ীরাসহ হাজারো মানুষ।
হাটের দিন হাটুরে মানুষ পড়েন বড় বিপাকে। সামান্য বৃষ্টিতে হাটের প্রধান সড়কে কাঁদাপানি জমে মৃত্যু ফাঁদে পরিনত সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে হাজারো মানুষ। নজর নেই কর্র্তৃপক্ষের।
জানা গেছে, কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা প্রায় শতবর্ষি হাট জোড়গাছ হাট। এই হাট থেকে প্রতি বছর সরকারের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আসে। শতবর্ষি এই হাটের গুরত্বের কারনে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসে বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা। চরাঞ্চলের একটি বিরাট অংশের ফসল এই হাটে হয় বেঁচাকেনা।
বুধবার ও রবিবার হাটের দিন হাজার হাজার হাটুরেসহ হাজার হাজার মানুষের পদচারণায় উৎসবে পরিনত হয়। এই গুরত্বপূর্ণ হাট থেকে কোটি কোটি টাকা সরকার রাজস্ব পেলেও নেই কোন নজর, সংস্কার হয়না বছরের পর বছর থেকে।
সংস্কারের অভাবে হাটে প্রবেশের প্রধান সড়কটির বেহাল দশা।
সামান্য বৃষ্টি হলেও সড়কে প্রবেশের রাস্তা গুলো কাঁদাপানিতে একাকার হয়ে পরিনত হয় মৃত্যু ফাঁদে। জোড়গাছ নতুন হাটে কয়েকটি হাটসেট হলেও ড্রেনেজ ব্যবস্থা নাজুক হওয়ায় বিপাকে পড়েন ক্রেতা বিক্রেতাসহ হাটে আসা মানুষজন। তবে বছরের পর বছর কেটে গেলেও জোড়গাছ ঐতিহ্যবাহী প্রায় শতবর্ষি পুরাতন হাটে হয়নি হাটসেট গড়ে উঠেনি টেকসই সড়ক। প্রধান সড়কটিও বছরের পর বছর থেকে বেহাল দশায় পরিনত হলেও নেয়া হয়নি কোন উদ্যোগ।
ব্যবসায়ী আব্দুল করিম বলেন, প্রতিহাটে তাকে আসতে হয় কিন্তু হাটটি দিন দিন করুন অবস্থার কারনে ব্যবসা করতে হিমশিত খেতে হচ্ছে। চিলমারী ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বলেন, এই হাটে চরাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ আসে চরাঞ্চলে উৎপাদিত ফসল বিক্রি করতে এছাড়াও মানুষজন প্রধান সড়কটি দিয়ে উপজেলা সদরে আসা যাওয়া করে কিন্তু হাটসহ সড়কের যা অবস্থা এতে প্রতিনিয়ত মানুষজন সমস্যায় পড়েছে।
যানবাহন চালকরা জানান, জোড়গাছ নতুন বাজার পর্যন্ত আসা গেলেও পুরাতন এবং গুরত্বপূর্ণ জোড়গাছ হাটে গাড়ি নিয়ে যাওয়া বড় কঠিন আর বৃষ্টি হলে তো কথাই নাই, এছাড়াও প্রায় সময় গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা ঘটছে। সাজেদুল নামে এক ক্রেতা বলেন, এই হাট প্রতি বছর কোটি কোটি ডাক হয়, সরকার রাজস্ব পায় কিন্তু বছরের পর বছর যায় হাটের উন্নতি হয় না, তাহলে এই টাকা কই যায়।
রমনা মডেল ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, রাস্তাটি এলজিইডি দপ্তরের, তাদের বিষয়টি আমরা জানিয়েছি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহমুদুল হাসান বলেন, আমরা সরেজমিন গিয়েছিলাম, দ্রুত সমস্যা গুলো চিহ্নত করে জনগনের ভোগান্তি দুর করতে সমাধান করা হবে।
মন্তব্য করুন