নীলফামারী প্রতিনিধি 

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় ‘স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানী’ প্রতিনিধি পরিচয়ে নকল ঔষধ বাজারজাত করার সময় মৃনাল অধিকারী নামে একজনকে কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার(২ মার্চ) রাতে জলঢাকা উপজেলা জিরো পয়েন্ট বাজারস্থ মেসার্স অনিন্দ্য ফার্মেসীতে নকল ঔষধ বিক্রির করার সময় তাকে আটক করা হয়। মৃনাল অধিকারী জেলার ডিমলা উপজেলা ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের চাপানী এলাকার প্রতাপ চন্দ্র অধিকারী ছেলে। এসময় তার কাছে ‘জিম্যাক্স-৫০০’ নকল ঔষধের ৪৮টি বক্স (প্রতি বক্স ১৪ পিস) উদ্ধার করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন।
জানা যায়, ঘটনার দিন রাত ৯টার দিকে উক্ত ফার্মেসীতে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানীর প্রতিনিধি পরিচয়ে জিম্যাক্স ৫০০ ট্যাবলেট বিক্রি করতে আসে মৃনাল। এসময় ফার্মেসীর স্বত্বাধিকারী ও বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি (বিসিডিএস) জলঢাকা উপজেলা শাখা সভাপতি মাহবুবার রহমান মনি সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞেসাবাদ করে। এক পর্যায়ে কার কথায় সন্দেহ মনে হলে তাকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতকে জানানো হয়।
পরে অপরাধ স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। পাশাপাশি স্কয়ার কোম্পানিকে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন আদালত।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মাহদি হাসান, জলঢাকা থানা পুলিশের সদস্য। বিসিডিএস জলঢাকা উপজেলা শাখা সভাপতি মাহবুবার রহমান মনি অভিযোগ করে জানান, ঔষধসহ নকল ঔষধ বিক্রেতাকে আটকের পর সর্বপ্রথম জেলা ঔষধ প্রশাসনের ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক মিতা রায়কে বিষয়টি জানানো হলে তিনি নকল ঔষধের অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়টি কোন প্রকার গুরুত্ব না দিয়ে পুরোপুরি এড়িয়ে যান।
মন্তব্য করুন