নীলফামারী প্রতিনিধি 

নীলফামারীর পৌরসভা বড়মাঠে নারী পুরুষ পাশাপাশি বসে গল্প করায় সাজা দেওয়ার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধমে ব্যাপক সমালোচিত হওয়ার পর নড়েচড়ে বসা জেলা পুলিশের গোয়েন্দাদের জালে আটকা পড়েছে চাঁদাবাজ চক্রের একজন। জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা জানায় তার নাম জঙ্গি মামুন ওরফে ভাইরাল মামুন ওরফে মো: মামুন শেখ।
এক সংবাদ বিজ্ঞপিততে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা জানায় ল্ক্ষিচাপ এলাকার তাপস রায় গত ২৫ জানুয়ারী বিকালে স্ত্রী আশা রায়ের সাথে বড় মাঠের পূর্ব দিকে বসে গল্প করছিল। হঠাৎ বেশ কয়েজন যুবকের একটি দল তাদের ঘিরে ফেলে এবং এভাবে নারী পুরুষ পাশাপশি বসে থাকার অপরাধে হেন্থা করতে থাকে ।
মান সম্মান নিয়ে ফিরতে চাইলে তাদের পাচ হাজার টাকা দিতে হবে। টাকা না পেয়ে সংঘবদ্ধ দলটি তাপসকে মারধর করতে থাকে এবং এসব মারধোরের দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও ধারন করে। এই সময় তার স্ত্রী বাধা দিলে দলটি তাকেও হেনস্থা করতে থাকে। শেষ পর্যনত তাপস চাঁদার টাকা দিতে না পারায় এই সংঘবদ্ধ চক্রটি তাপসের সম্মানহানি ও পরবর্তীতে আরো ব্লাকমেইল করার আসায় “নারী পুরুষের বেল্লেপনা ও তার সাজা” হিসাবে ভিডিওগুলো ফেইসবুক, ইউটিউব সহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।
মাধ্যমে ভিডিওটি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হওয়ার পর স্থানীয় জনমনে ও প্রশাসনে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। বিষয়টির গুরুত্ব বুঝতে পেরে পুলিশ সুপারের নির্দেশে মাঠে নামে গোয়েন্দা শাখা। জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মতলুবর রহমান এর নেতৃত্বে একটি দল সদর থানার চড়াইখোলা বটতলী বাজার এলাকা থেকে চক্রের নেতা মোঃ মামুন শেখ ওরফে জঙ্গী মামুন ওরফে ভাইরাল মামুনকে গ্রেপ্তার করে।
গোয়েন্দা পুলিশ জানায় জঙ্গি মামুনকে চাঁদাবাজী ও নারী উত্যক্ত করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাবাদে জঙ্গি মামুন জানিয়েছে যে অনেকে আগে থেকেই সে ও তার দল বড়মাঠে আসা দর্শনার্থীদের টার্গেট করে চাদাবাজী করতো।
মন্তব্য করুন