সাত বছর আগে যে সিনেমা শেষ করে দিয়েছিল মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের (এমসিইউ) একটি যুগ, সেটিই আবার ফিরছে বড় পর্দায়। তবে শুধু পুরোনো স্মৃতি স্মরণ করিয়ে দিতে নয়, এবার ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ ফিরছে নতুন চমক নিয়ে। নাম ‘অ্যাভেঞ্জার্স এন্ডগেম : এনকোর’। আর এর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ, নতুন ফুটেজ, যা সরাসরি সংযোগ তৈরি করবে বহুল প্রতীক্ষিত ‘অ্যাভেঞ্জাসর্ : ডুমসডে’র সঙ্গে।
২০২৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা ‘এন্ডগেম : এনকোর’-এর। মূল সিনেমার গল্প ও পরিচিত দৃশ্যগুলো থাকছে আগের মতোই। তবে যোগ হচ্ছে প্রায় চার মিনিটের নতুন দৃশ্য। ফলে সিনেমাটির দৈর্ঘ্য বেড়ে দাঁড়াবে ১৮৫ মিনিটে। শুধু নতুন দৃশ্যই নয়, থাকছে নতুন একটি ভূমিকা এবং অতিরিক্ত একটি শেষ দৃশ্যও। অর্থাৎ সাত বছর আগের সেই গল্পের মাঝেই এবার ঢুকে পড়ছে এমসিইউর ভবিষ্যতের একটি ইঙ্গিত।
কেন আবার ‘এন্ডগেম’ দেখতে যাবেন দর্শক? উত্তরটা খুব সহজ, সেই আবেগ এখনো পুরোনো হয়নি। টনি স্টার্কের আত্মত্যাগ, স্টিভ রজার্সের বহু প্রতীক্ষিত নাচ, নাতাশার আত্মবলিদান, থরের হৃদয়ভাঙা মুহূর্ত কিংবা ক্যাপ্টেন আমেরিকার হাতে মজলনির ফিরে আসা-প্রতিটি মুহূর্তই ভক্তদের স্মৃতিতে এখনো তাজা।
তবে ‘এনকোর’-এর আসল খেলা অন্য জায়গায়। নতুন ফুটেজে কী দেখানো হবে? ‘ডুমসডে’র সঙ্গে এর সংযোগ কতটা গুরুত্বপূর্ণ? এমসিইউর পরবর্তী অধ্যায়ের জন্য কী সূত্র লুকিয়ে রেখেছে মার্ভেল? এসব প্রশ্নের উত্তর পেতেই এবার প্রেক্ষাগৃহে ফিরতে পারেন কোটি কোটি ভক্ত।
এর সঙ্গে রয়েছে প্রেক্ষাগৃহে ‘এন্ডগেম’ দেখার সম্মিলিত উন্মাদনা। ২০১৯ সালে সিনেমাটির প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দর্শকের উল্লাস, চিৎকার আর হাততালি যেন সিনেমারই অংশ হয়ে উঠেছিল। আবার পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহে সেই অভিজ্ঞতা ফিরে পাওয়া হতে পারে ‘এনকোর’-এর অন্যতম বড় আকর্ষণ।
পরিচালক জো রুশোর মন্তব্যও বাড়িয়েছে প্রত্যাশা। তার ইঙ্গিত, ‘এন্ডগেম : এনকোর’ ও ‘ডুমসডে’র মধ্যে একটি সেতুর কাজ করবে। তাই এটি নিছক পুরোনো সিনেমার পুনর্মুক্তি নয়। বরং ভাবুন, শেষ করে ফেলা একটি বইয়ের হঠাৎ পাওয়া অতিরিক্ত একটি পৃষ্ঠা। আর সেই পৃষ্ঠার শেষ লাইন যদি লেখা থাকে ‘ডুমসডে’, তাহলে মার্ভেল ভক্তরা কি আর সেই পৃষ্ঠা না পড়ে থাকতে পারবেন?
প্রকাশক: মোঃ শরিফুল ইসলাম। যোগাযোগ: মেডিকেল পূর্ব গেট, বুড়িরহাট রোড, রংপুর, বাংলাদেশ।
Copyright © 2026 RCTV ONLINE. All rights reserved.