পঞ্চগড়ে আবারও দেখা দিতে শুরু করেছে কাঞ্চনজঙ্ঘার মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। অনুকূল আবহাওয়া আর মেঘমুক্ত আকাশে সীমান্তবর্তী এই জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে খালি চোখেই দেখা গেছে বরফাচ্ছাদিত এ পর্বতচূড়া।
আগষ্টের শুরুতেই আজ মঙ্গলবার সকাল দশটার দিকে হালকা অপূর্ব কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য স্থানীয়দের মধ্যে উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করেছে। অনেকেই এই দৃশ্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে।
এই অপূর্ব কাঞ্চনজঙ্ঘা ভোরের আলো কিংবা বিকেলের শেষ সূর্যের রশ্মি যখন বরফে ঢাকা পর্বতের গায়ে পড়ে, তখন বদলে যায় কাঞ্চনজঙ্ঘার রূপ। সূর্যের অবস্থান ও আলোর তারতম্যে কখনো সাদা, কখনো গোলাপি, আবার কখনো লালচে আভায় দেখা যায় পর্বতচূড়া। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে ঝাপসা হয়ে যায় সেই অপূর্ব দৃশ্য।
স্থানীয় বাসিন্দা মশিউর রহমান বলেন, আজ সকালে মাঠে কাজ করছিলাম। হঠাৎ আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখি কাঞ্চনজঙ্ঘা। এত পরিষ্কার দৃশ্য খুব কমই দেখা যায়। দেখে সত্যিই দারুণ লাগছে। রাবিক আল হাসান বলেন, এবার আগস্টে শুরু থেকেই কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যাচ্ছে। শীতের আগে এভাবে পর্বত দেখা গেলে পর্যটকের সংখ্যাও বাড়বে। আশা করছি, এ মৌসুমে আগের বছরের তুলনায় ব্যবসা ভালো হবে।
কাঞ্চনজঙ্ঘার পাশাপাশি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার রয়েছে আরও নানা প্রাকৃতিক আকর্ষণ। তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো এলাকা থেকে সন্ধ্যার পর ভারতের দার্জিলিং ও শিলিগুড়ির পাহাড়ি এলাকার আলোও দেখা যায়। দিনে কাঞ্চনজঙ্ঘার বরফঢাকা চূড়া আর সন্ধ্যায় দূর পাহাড়ের আলোর মায়াবী দৃশ্য প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে যা বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করে।
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর থেকে নেপালের দূরত্ব প্রায় ৬১ কিলোমিটার, ভুটান ৬৪ কিলোমিটার, দার্জিলিং ৫৮ কিলোমিটার এবং শিলিগুড়ি প্রায় ৮০ কিলোমিটার। ভারত, নেপাল ও ভুটানের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে পঞ্চগড়ের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো দেশের পর্যটকদের কাছেও দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
প্রকাশক: মোঃ শরিফুল ইসলাম। যোগাযোগ: মেডিকেল পূর্ব গেট, বুড়িরহাট রোড, রংপুর, বাংলাদেশ।
Copyright © 2026 RCTV ONLINE. All rights reserved.