
দিনাজপুরের হিলি বাজারে ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হওয়ার প্রভাবে দেশীয় কাঁচামরিচের দাম একদিনের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ৫০ টাকা কমেছে। এতে কয়েক সপ্তাহ ধরে উচ্চমূল্যের চাপে থাকা সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
৪ আগস্ট মঙ্গলবার সকালে হিলি বাজার ঘুরে দেখা যায়, সোমবার যে দেশীয় কাঁচামরিচ ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল, মঙ্গলবার তা ১৫০ টাকায় নেমে এসেছে। পাইকারি বাজারেও একই ধরনের মূল্যহ্রাস লক্ষ্য করা গেছে।
পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে কৃষকদের কাছ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে কাঁচামরিচ কিনে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। ভারতীয় কাঁচামরিচ বাজারে প্রবেশ করায় দেশীয় মরিচের ওপর চাপ কমেছে। আমদানি অব্যাহত থাকলে দাম আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
খুচরা বিক্রেতাদের ভাষ্য, আমদানিকৃত মরিচ বাজারে আসার পর থেকেই পাইকারি বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ফলে খুচরা পর্যায়েও তুলনামূলক কম দামে কাঁচামরিচ বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে।
ক্রেতারা জানান, কয়েক দিন আগেও অতিরিক্ত দামের কারণে প্রয়োজন অনুযায়ী কাঁচামরিচ কেনা সম্ভব হচ্ছিল না। তবে দাম কমতে শুরু করায় এখন কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। গৃহিণীরাও বলছেন, কাঁচামরিচের উচ্চমূল্যে সংসারের বাজেট চাপে পড়েছিল, দাম কমায় সেই চাপ কিছুটা কমেছে।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা জানান, ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হওয়ায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে স্থানীয় বাজারে। পর্যাপ্ত আমদানি অব্যাহত থাকলে বাজার আরও স্থিতিশীল হবে বলে আশা করছেন তারা।
হিলি স্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, দেশের বাজারে কাঁচামরিচের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে সরকার ভারত থেকে আমদানির অনুমতি দেয়। এর ধারাবাহিকতায় সোমবার চারটি ট্রাকে মোট ২৯ মেট্রিক টন ৪৪০ কেজি কাঁচামরিচ হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করেছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, আমদানি অব্যাহত থাকলে বাজারে সরবরাহ আরও বৃদ্ধি পাবে এবং কাঁচামরিচের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে চলে আসবে।
প্রকাশক: মোঃ শরিফুল ইসলাম। যোগাযোগ: মেডিকেল পূর্ব গেট, বুড়িরহাট রোড, রংপুর, বাংলাদেশ।
Copyright © 2026 RCTV ONLINE. All rights reserved.