রাঙামাটিতে গত পাঁচ দিনের টানা ভারী বর্ষণে জেলার বিভিন্নস্থানে ৬০টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। একই সঙ্গে বেড়েছে জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের ঝুঁকি। রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের পাশাপাশি বসতবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সম্ভাব্য প্রাণহানি ও দুর্ঘটনা এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিচ্ছে জেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসকের মিডিয়া সেলে নেজারত শাখার ডেপুটি কালেক্টর শেখ সালমান জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির এসব তথ্য জানা যায়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত জেলার ৩৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ হাজার ১৬৬ জন আশ্রয় নিয়েছেন।
এদিকে সকাল থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমতে শুরু করেছে। তবে বাঘাইছড়ি উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়েছে পড়েছেন। বিশেষ করে বাঘাইছড়ি কাচালং কলেজ, উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা প্লাবিত হয়েছে।
গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে জেলায় ৬০টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটলেও পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী বেশিরভাগ বাসিন্দাই আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনীহা প্রকাশ করছেন। গত বুধবার পর্যন্ত কাপ্তাই উপজেলার ১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে মাত্র ৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১০৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন। ফলে অধিকাংশ আশ্রয়কেন্দ্র ফাঁকা পড়ে রয়েছে। একই চিত্র দেখা গেছে জেলা শহরের কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রেও।
সকাল থেকে রাঙামাটিতে বৃষ্টিপাত বন্ধ রয়েছে। তবে জেলা প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। যদি এই অবস্থা অব্যাহত থাকে তাহলে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
প্রকাশক: মোঃ শরিফুল ইসলাম। যোগাযোগ: মেডিকেল পূর্ব গেট, বুড়িরহাট রোড, রংপুর, বাংলাদেশ।
Copyright © 2026 RCTV ONLINE. All rights reserved.