
শিশুর দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষা, অন্ধত্ব প্রতিরোধ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গাইবান্ধায় শুরু হয়েছে জাতীয় ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাম্পেইন। জেলার ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী মোট ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৮০৪ জন শিশুকে এই পুষ্টি সুরক্ষার আওতায় আনার মহাপরিকল্পনা নিয়ে আজ সকাল থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে এই কার্যক্রম
সকালে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিশুদের মুখে ক্যাপসুল তুলে দিয়ে এ ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেন গাইবান্ধা পৌরসভার প্রশাসক মুশফিকুর রহমান।
গাইবান্ধার সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. শহিদুল্লাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শেখ মুত্তাজুল ইসলাম এবং সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজমুল হুদা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আসিফ সরকারসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অভিভাবকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। কেন্দ্রগুলোতে শিশুদের বয়স অনুযায়ী দুই ভাগে ভাগ করে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে।
৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশু: দেওয়া হচ্ছে নীল রঙের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যাপসুল,১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশু: দেওয়া হচ্ছে লাল রঙের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যাপসুল।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভিটামিন 'এ' কেবল অন্ধত্বই দূর করে না, বরং শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং সার্বিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে জাদুর মতো কাজ করে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ পূরণ করতে তারা বদ্ধপরিকর। "একটি শিশুও যেন বাদ না পড়ে”-এই প্রত্যয় নিয়ে জেলার সকল অভিভাবককে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিকটস্থ কেন্দ্রে এসে শিশুকে ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য বিশেষভাবে আহবান জানানো হয়েছে।
প্রকাশক: মোঃ শরিফুল ইসলাম। যোগাযোগ: মেডিকেল পূর্ব গেট, বুড়িরহাট রোড, রংপুর, বাংলাদেশ।
Copyright © 2026 RCTV ONLINE. All rights reserved.