
নীলফামারীতে গত কয়েকদিন আগে মুশলধারে বৃষ্টি নামলেও বর্তমানে দিনের বেলায় যেনো আগুনের ফুলকি ছড়াচ্ছে গোটা নীলফামারী জেলায়। ফলে বাইরে বেরুতে পারছেন না লোকজন। তীব্র তাপপ্রবাহে জনমনে নাভিশ্বাস উঠেছে। বিশেষ করে ভোগান্তি বেড়েছে খেটে খাওয়া মানুষের। রোববার (৩১ মে) তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
নীলফামারী সৈয়দপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, নীলফামারীতে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এ তীব্র তাপপ্রবাহ আগামী ৭ জুন পযন্ত অব্যাহত থাকবে।
জেলাজুড়ে দেখা যায়, আবার কয়েক দিনের ভাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে নীলফামারীর জনজীবন। তীব্র রোদের পাশাপাশি ভাপসা গরমে স্বস্তি মিলেছে না কোথাও। গরমে হাসপাতালে বেড়েছে ডায়রিয়াসহ অন্যান্য রোগী। দীর্ঘ খরায় হুমকির মুখে পড়তে পারে এবার ফসল উৎপাদন। অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতির পাশাপাশি বিরূপ আবহাওয়ায় ফসল উৎপাদন এখন বড় চ্যালেঞ্জ কৃষকদের।
রামগঞ্জ এলাকার ভ্যানচালক লোকমান আলী বলেন, এত গরমে ভ্যান চালাতে খুব কষ্ট হয়। মাঝে মাঝে গাছের নিচে একটু বিশ্রাম নিয়ে আবার চালাই। সংসারে অনেক খরচ, তাই বসেও থাকতে পারি না।
বয়লার দোকানের মালিক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, গরমে দোকানে ক্রেতা আসছে না। মুরগি গুলো গরমে হাঁসফাঁস করছে। সকাল থেকে দুপুর পযর্ন্ত ক্রেতা বাজারে আসে না, বিকালের দিকে একটু বেচাকেনা হয়।
ইটাখোলা ইউনিয়নের মিজানুর রহমান বলেন, তীব্র গরমে পাকা ধান কাটতে পারছি না, ধান কাটতে গেলে আগুনের মতো গরম যেন মাথায় লাগে। এ কারণে আমরা পাকা ধান কাটতে পারতেছিনা।
নীলফামারী সৈয়দপুর আবহাওয়া অফিসের অফিস ইনচার্জ লোকমান হোসেন আরসিটিভিকে বলেন, মে মাসের শেষ ও জুনের ৭ তারিখ পযন্ত গরমের প্রভাব এবার বেশি। দুপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে তীব্র তাপপ্রবাহের গরমে অনেক কষ্ট পাচ্ছে মানুষ। তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে এতে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা কম।
প্রকাশক: মোঃ শরিফুল ইসলাম। যোগাযোগ: মেডিকেল পূর্ব গেট, বুড়িরহাট রোড, রংপুর, বাংলাদেশ।
Copyright © 2026 RCTV ONLINE. All rights reserved.