
পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদ উল আযহা উদ্যাপন করতে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরবে লাখো মানুষ। নিয়মিত ট্রেনের সঙ্গে ঈদ উপলক্ষ্যে প্রয়োজন হবে বাড়তি শতাধিক কোচ। বাড়তি কোচের জোগান দিতে নির্ধারিত সময়ের বাইরেও অতিরিক্ত সময় কাজ করে পুরাতন কোচ মেরামতে ব্যস্ত সময় পার করছেন নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীরা।
প্রয়োজনের মাত্র ২৩ শতাংশ জনবল, বাজেট স্বল্পতা, উপকরণ সরবরাহসহ নানা সমস্যা নিয়েও এবারের ঈদযাত্রায় ১২৭ টি কোচ সংযুক্ত করতে যাচ্ছে কারখানাটি। ইতিমধ্যে পাকশী ও লালমনিরহাট রেলওয়ের কাছে ১০৩ টি কোচ হস্তান্তর করা হয়েছে।
নানা সংকটের মধ্যেও চরম কর্মব্যস্ততায় সময় কাটছে কারখানাটির শ্রমিক-কর্মচারীদের। মেরামতকৃত এসব কোচ ঈদের বিশেষ ট্রেনগুলোতে সংযুক্ত করা হবে। রেলবহরে বাড়তি কোচগুলো যুক্ত হলে ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রাপথের ভোগান্তি কিছুটা হলেও লাঘব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভিন্ন শপে ঘুরে দেখা যায়, শ্রমিকেরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন। নির্ধারিত সময়ের বাহিরে কাজ করছেন তারা। প্রয়োজনীয় মালামাল ও জনবল সংকট থাকলেও ঈদে যাত্রীসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অতিরিক্ত শ্রম ও সময় দিয়ে তারা কোচগুলো দ্রুত প্রস্তুতের কাজ করছেন।
কারখানার শ্রমিক শিরীন সুলতানা বলেন, আমাদের ঈদের সময়ে বাড়তি কাজ করতে হয়। আমরা শুক্রবার পর্যন্ত কাজ করছি, তবে আমাদের শ্রমে ঈদে দূরের মানুষ পরিবারের সঙ্গে ঈদ কাটাবে এতে আমরা খুশী।
কারখানার শিডিউল শপের প্রকৌশলী রুহুল আমীন বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে ১২৭টি কোচ সচল করা হচ্ছে। যাত্রীচাপ মোকাবিলায় বাড়তি কোচ সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি।
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) শাহ সুফী নুর মোহাম্মদ বলেন, ঈদযাত্রায় ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন রুটে যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা বাড়াতে রেলওয়ের বহরে যুক্ত করা হচ্ছে ১২৭টি কোচ। ইতোমধ্যে ১০৩ টি কোচ পাকশী ও লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি কোচগুলো আগামী কয়েক কর্মদিবসের মধ্যেই হস্তান্তর করা হবে।
প্রকাশক: মোঃ শরিফুল ইসলাম। যোগাযোগ: মেডিকেল পূর্ব গেট, বুড়িরহাট রোড, রংপুর, বাংলাদেশ।
Copyright © 2026 RCTV ONLINE. All rights reserved.