দেশের উত্তরাঞ্চল ও হাওড় এলাকায় বজ্রপাত থেকে মানুষকে সুরক্ষা দিতে বজ্র আশ্রয়কেন্দ্র গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, এসব কেন্দ্রে বজ্রনিরোধক যন্ত্র স্থাপন করা হবে, যাতে ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সময় মানুষ নিরাপদ আশ্রয় নিতে পারে।
রোববার দুপুরে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়ন-এ দাশের হাটের ছড়া থেকে এসিল্যান্ড সংযোগ খাল পর্যন্ত ২ কিলোমিটার খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে কুড়িগ্রামসহ উত্তরাঞ্চলের চরাঞ্চলগুলোতে প্রায়ই বজ্রপাতে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এসব এলাকার মানুষের সুরক্ষায় সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে। পাশাপাশি দেশের হাওড় ও উত্তরাঞ্চলে বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রের সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হবে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির আওতায় চলতি বছর ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার এবং আগামী পাঁচ বছরে মোট ৭ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। একই সঙ্গে আগামী পাঁচ বছরে ২০ কোটি গাছ রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, খাল খননের মাধ্যমে কৃষিকাজ সম্প্রসারণ, পানি সংরক্ষণ ও মাছ চাষের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এছাড়া খালের পাড়ে বনায়নের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব হবে। এতে স্থানীয় দরিদ্র জনগোষ্ঠী সরাসরি উপকৃত হবে।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খনন, পানি সংরক্ষণ ও কৃষি উন্নয়নের যে পরিকল্পনা করেছিলেন, বর্তমান সরকার সেই ধারাবাহিকতায় আবারও খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
উদ্বোধন শেষে এক সংক্ষিপ্ত সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা পরিষদ প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বেবু ও অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিবসহ অন্যরা।
এর আগে ত্রাণমন্ত্রী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেন।
প্রকাশক: মোঃ শরিফুল ইসলাম। যোগাযোগ: মেডিকেল পূর্ব গেট, বুড়িরহাট রোড, রংপুর, বাংলাদেশ।
Copyright © 2026 RCTV ONLINE. All rights reserved.