রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামিকে জয়পুরহাট জেলা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাবের যৌথ দল।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিমের সাথে গ্রেফতারকৃত আসামি সিমিয়ন হাসদা সৈকত (২০)-এর ২০২২ সালে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন মোবাইলে যোগাযোগের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে আসামি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভিকটিমের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
এরই ধারাবাহিকতায় ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ দুপুর ১২টার দিকে আসামি ভিকটিমের বাড়িতে প্রবেশ করে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে ভিকটিম বিয়ের বিষয়ে চাপ দিলে আসামি পুনরায় শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেয় এবং তার কাছে থাকা অশ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।
ঘটনার প্রেক্ষিতে ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত) এবং সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-২৫, তারিখ: ১৭ মার্চ ২০২৬।
মামলার পর থেকেই আসামি আত্মগোপনে চলে যায়। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১৩ (রংপুর) এবং র্যাব-৫ (জয়পুরহাট)-এর যৌথ গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু হয়।
পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৯ মার্চ ২০২৬ বিকাল ২টা ১০ মিনিটে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার বাগজানা ইউনিয়নের ভিপমপুর গ্রামে একটি ইটভাটার সামনে অভিযান পরিচালনা করে আসামি সিমিয়ন হাসদা সৈকতকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, ধর্ষণ, হত্যা, রাহাজানি ও মাদকসহ সকল ধরনের অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
প্রকাশক: মোঃ শরিফুল ইসলাম। যোগাযোগ: মেডিকেল পূর্ব গেট, বুড়িরহাট রোড, রংপুর, বাংলাদেশ।
Copyright © 2026 RCTV ONLINE. All rights reserved.