
নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার মিরজাগঞ্জ এলাকায় পেট্রোল ও ডিজেল তেল অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির অজুহাত দেখিয়ে স্থানীয় কিছু অবৈধ খোলা দোকানে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে জ্বালানি বিক্রি করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অনুমোদনহীন এসব দোকানে প্রতি লিটার পেট্রোল ও ডিজেলে ৩০ থেকে ৭০ টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়া হচ্ছে। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ।
স্থানীয়রা জানান, সরকার থেকে তেলের দাম বৃদ্ধি করা না হলেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃতভাবে সংকটের পরিবেশ তৈরি করছে। ফলে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে বেশি দামে তেল কিনছেন।
স্থানীয় কৃষক আবুজার রহমান বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে কোন দাম বৃদ্ধি করা হয়নি কিংবা পেট্রোল পামগুলোতেও তেলের দাম ঠিকি আছে কিন্তু আমাদের এই স্থানীয় বাজারগুলোতে ১০৭ থেকে ১০৮ টাকার তেল বিক্রি করা হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। আমাদের প্রয়োজন ১/২ লিটার তেল এখন এইটুকু তেলের জন্য পাম্পে যাওয়া সম্ভব।
মটর সাইকেলের জন্য তেল নিতে আসছেন জুলফিকার রহমান তিনি বলেন, এসব খোলা দোকানে তেল বিক্রি এমনিতেই অবৈধ এর পরেও যারা বিপদে পড়ে তেল কিনতে আসেন তাদেরকে চরম বিপদে ফালাই দেন। ১২০ টাকার তেল এখন কিনতে হবে ১৮০ টাকায়। আমি দোকানের মালিককে বললাম সরকার তো দাম বাড়ায় নি বা পাম্পেও দাম বাড়েনি তাহলে এত দাম কেন। উনি বলেন ইচ্ছে হইলে তেল নেন না হইলে চলে যান।
স্থানীয় ভ্যানচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা গরিব মানুষ, প্রতিদিন ভ্যান চালিয়ে যা আয় করি তা দিয়ে সংসার চালাই। মানুষের কিছু জমি নিয়ে ভুট্টা আবাদ করছি এখন সেচ দিতে হবে, কিন্তু তেলের যে দাম এভাবে এরা মানুষকে মেরে ফেলবে সরকার থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে তেলের দাম বাড়ানো হয়নি।
এ বিষয়ে ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন, বিষয়টি জানতে পারলাম। আমি খোঁজ নিচ্ছি। যদি কোথাও অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রির প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রকাশক: মোঃ শরিফুল ইসলাম। যোগাযোগ: মেডিকেল পূর্ব গেট, বুড়িরহাট রোড, রংপুর, বাংলাদেশ।
Copyright © 2026 RCTV ONLINE. All rights reserved.