মেয়েদের ফুটবল লিগের সব ম্যাচ হয়েছে কমলাপুর স্টেডিয়ামে। চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের ম্যাচও হয় সেখানে। কোটি টাকা ব্যয়ে কৃত্রিম টার্ফ বসানো হয়েছে এই স্টেডিয়ামে। কিন্তু চরম নিরাপত্তার অভাবে ভুগছে কমলাপুর স্টেডিয়াম। ১১টি ফ্লাডলাইট ব্যালাস্ট চুরি হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র ছয় দিন আগে চুরি যাওয়া ব্যালাস্ট স্টেডিয়ামের গুরুতর নিরাপত্তা ঘাটতিকে সামনে এনেছে।
স্টেডিয়ামের প্রশাসক মাসুদুর রহমান জানান, চুরির ঘটনাটি ঘটে গভীর রাতে। তিনি বলেন, ‘সেদিন রাত সাড়ে ১২টা থেকে ১টায় একজন গ্রাউন্ড স্টাফ আমাকে ফোন করে জানায়, চুরির উদ্দেশ্যে কেউ টাওয়ারে উঠেছে। একটি ভারী কালো বাক্স মাটিতে পড়ে যায়। আমাদের নিরাপত্তাকর্মী যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছান, সেখানে একটি কালো বাক্স পড়ে থাকতে দেখেন। চোর ততক্ষণে পালিয়ে যায়।’ তিনি যোগ করেন, ‘কমলাপুরে আমাদের মাত্র তিনজন নিরাপত্তাকর্মী রয়েছেন। ওই রাতে ছিলেন মাত্র একজন। যিনি প্রধান ফটকে ছিলেন। চট্টগ্রাম থেকে রাতে ট্রাকে আসেন এবং গেট সামলাতে ব্যস্ত ছিলেন।’
প্রতিটি ব্যালাস্ট দেখতে ছোট হলেও ওজন ২০ কেজির বেশি। দাম প্রায় ৫০ হাজার টাকা। ১১টি ইউনিট চুরি হওয়ায় মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ছয় লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। জানা গেছে, চুরির ঘটনায় স্থানীয় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে (এনএসসি) জানানো হয়েছে। মাসুদুর রহমান জানান, তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা সব কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। দায়ভার নিরূপণের কাজ চলছে।’
ঘটনার বিষয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) আমিনুল এহসান মিডিয়াকে বলেন, ‘চুরির ঘটনা স্পষ্টভাবে স্টেডিয়ামের নিরাপত্তার দুর্বলতা প্রকাশ করে। পুলিশকে জানানো হয়েছে। তদন্ত চলছে। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
প্রকাশক: মোঃ শরিফুল ইসলাম। যোগাযোগ: মেডিকেল পূর্ব গেট, বুড়িরহাট রোড, রংপুর, বাংলাদেশ।
Copyright © 2026 RCTV ONLINE. All rights reserved.