দীর্ঘ ২৭ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। নব্বইয়ের দশকের ব্লকবাস্টার হিট ‘বর্ডার’-এর স্মৃতি উসকে দিয়ে পর্দায় ফিরছে এর সিক্যুয়েল ‘বর্ডার ২’। মুক্তির আগে থেকেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে যে উন্মাদনা দেখা যাচ্ছে, তাতে ধারণা করা হচ্ছে বক্স অফিসের পুরোনো অনেক রথী-মহারথীদের রেকর্ড তছনছ করে দিতে পারে এই ছবি।
‘একাডেমিক এন্টারটেইনমেন্ট’-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন বলছে, অগ্রিম বুকিংয়েই অভাবনীয় সাড়া ফেলেছে ছবিটি। ‘ব্লক আসন’সহ ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে সিনেমাটি ইতোমধ্যে ৫ কোটি ৮৪ লাখ টাকার ব্যবসা করে ফেলেছে।
বাণিজ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, মুক্তির প্রথম দিনেই ভারতের বক্স অফিসে ৩৫ থেকে ৪০ কোটি টাকা আয় করতে পারে বরুণ ধাওয়ান ও সানি দেওল অভিনীত এই ছবি। এমনকি প্রেক্ষাগৃহে ছবিটির স্থায়িত্ব ও জনপ্রিয়তা বজায় থাকলে এর আজীবন আয় ৭০০ কোটি টাকার মাইলফলক স্পর্শ করতে পারে।
সিনেমাটি সাধারণ ২ডি ফরম্যাটের পাশাপাশি উন্নত প্রযুক্তির ‘ডলবি সিনে’ ফরম্যাটেও মুক্তি পাচ্ছে, যা দর্শকদের সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতাকে ভিন্ন মাত্রা দেবে। তবে ছবির সফলতার পেছনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ১৯৯৭ সালের কালজয়ী ‘বর্ডার’-এর সঙ্গে তুলনা। দর্শকরা বলছেন, ছবিটিকে বক্স অফিসে দীর্ঘ দৌড়ের ঘোড়া হতে হলে সবার আগে সাধারণ মানুষের মন জয় করতে হবে।
ইতিবাচক ‘মাউথ পাবলিসিটি’ বা লোকমুখে প্রশংসা ছড়িয়ে পড়লে ছবির ব্যবসার গ্রাফ যে আকাশচুম্বী হবে, তা বলাই বাহুল্য। ইতোমধ্যেই মুক্তিপ্রাপ্ত ট্রেলারে বরুণ ধাওয়ানের বিধ্বংসী অ্যাকশন এবং সানি দেওলের সেই চিরচেনা গুরুগম্ভীর সংলাপ দর্শকদের নস্টালজিক করে তুলেছে।
এছাড়া আহান শেট্টির উপস্থিতি ছবিতে বাড়তি আকর্ষণ যোগ করেছে। দীর্ঘ সময় পর সিক্যুয়েল আসায় ভক্তদের মধ্যে যে প্রবল আগ্রহ কাজ করছে, তার সুফল পেতে পারে নির্মাতা পক্ষ।
বর্তমানে বক্স অফিসে এই ছবির সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার মতো বড় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। ফলে ফাঁকা মাঠে গোল দেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ থাকছে সানি দেওল বাহিনীর সামনে। এখন দেখার বিষয়, বড় পর্দার এই যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত বক্স অফিসের সব হিসেব-নিকেশ বদলে দিতে পারে কি না।
প্রকাশক: মোঃ শরিফুল ইসলাম। যোগাযোগ: মেডিকেল পূর্ব গেট, বুড়িরহাট রোড, রংপুর, বাংলাদেশ।
Copyright © 2026 RCTV ONLINE. All rights reserved.