প্রিন্ট এর তারিখঃ সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬, ৫:০৩ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জানুয়ারী ৩১, ২০২৫, ৫:০৪ পি.এম
কেন খাবেন না কোমল পানীয়?
কোমল পানীয় বিশ্বজুড়ে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়। ২০২১ সালে এর বিশ্বব্যাপী বাজারমূল্য ৪১৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ছিল বলে ধারণা করা হয়েছিল। যদিও নিয়মিত কোমল পানীয় পানের ক্ষতিকর দিকগুলো সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত, তবুও সব বয়সের মানুষ এটি অতিরিক্ত মাত্রায় পান করে থাকে।
কোমল পানীয় মূলত কার্বনেটেড ওয়াটার বা পানির সঙ্গে কার্বন ডাই অক্সাইড মিশ্রিত এক ধরনের পানীয়। এর লোভনীয় বুদবুদ এবং মুখে সুড়সুড়ির অনুভূতি মূলত কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসের কারণে হয়। তবে এই গ্যাস পাকস্থলীর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে।
১. গ্যাস্ট্রিক ও হজমজনিত সমস্যা
- কোমল পানীয় পান করার পর এটি অন্ত্রে পৌঁছালে শরীর পানীয়টিকে উষ্ণ করে, ফলে কার্বন ডাই অক্সাইড পেটে গ্যাস হিসেবে জমা হয়।
- এতে পেট ব্যথা, পেট ফাঁপা, অস্বস্তি এবং পেটের পেশীতে খিঁচুনি সৃষ্টি হতে পারে।
- অতিরিক্ত ঢেকুর তোলার কারণে খাদ্যনালীতে অ্যাসিড উঠে আসতে পারে, বিশেষ করে খাবারের সময় বা পরে কোমল পানীয় পান করলে।
২. অ্যাসিডিটি ও পাকস্থলীর ক্ষতি
- কোমল পানীয় পাকস্থলীতে অতিরিক্ত অ্যাসিড উৎপন্ন করে, যা পাকস্থলীর আস্তরণ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
- এটি অম্বল ও অ্যাসিড রিফ্লাক্স (ধোঁয়া ঢেকুর) তৈরি করে, যা দীর্ঘমেয়াদে পাকস্থলী ও খাদ্যনালীর জন্য ক্ষতিকর।
৩. ডায়েট সোডার ভুল ধারণা
- অনেকে ডায়েট কোমল পানীয়কে স্বাস্থ্যকর বিকল্প মনে করেন, কিন্তু এটি মোটেও নিরাপদ নয়।
- এতে থাকা কৃত্রিম মিষ্টি (আসপারটেম, সুকরলোজ ইত্যাদি) অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার উৎপাদন ব্যাহত করে, যা হজম প্রক্রিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
কোমল পানীয় শুধু সাময়িক তৃপ্তি দেয়, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটি গ্যাস্ট্রিক, অ্যাসিডিটি, হজম সমস্যা ও পাকস্থলীর ক্ষতি করে। তাই স্বাস্থ্য রক্ষায় কোমল পানীয় এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।
তথ্যসূত্র: সামা টিভি
প্রকাশক: মোঃ শরিফুল ইসলাম। যোগাযোগ: মেডিকেল পূর্ব গেট, বুড়িরহাট রোড, রংপুর, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © RCTV. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।