প্রিমিয়ার লিগে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে লিভারপুলের পথ আরও কঠিন হয়ে গেল। আর্নে স্লটের দল শনিবার ৩–০ গোলে হেরে বসলো নটিংহ্যাম ফরেস্টের কাছে। কয়েক সপ্তাহ আগেই আন্তর্জাতিক বিরতির আগে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে একই ব্যবধানে হেরেছিল তারা। আবারও সেই একই গল্প।
ম্যাচের ৩৩ মিনিটে ফরেস্টকে এগিয়ে দেন মুরিলো। বিরতির পর মাত্র এক মিনিটের মাথায় স্কোরলাইন ২–০ করে নিকোলো সাভোনা। এরপর ৭৮ মিনিটে মরগান গিবস–হোয়াইট দারুণ এক শটে লিভারপুলের পতন নিশ্চিত করেন। এই হারের পর গত মৌসুমের চ্যাম্পিয়নরা নেমে গেছে লিগ টেবিলের ১১ নম্বরে। পয়েন্ট ১৮। শীর্ষে থাকা আর্সেনালের চেয়ে ৮ পয়েন্ট পিছিয়ে, তাও আর্সেনালের একটি ম্যাচ হাতে আছে।
শেষ ছয় লিগ ম্যাচের পাঁচটিতেই হার- এটাই লিভারপুলের বর্তমান চিত্র। তুলনায় গত মৌসুমে তাদের পুরো লিগে হার ছিল মাত্র চারটি, আর সেই সময়ই তারা জিতেছিল রেকর্ড ছোঁয়া ২০তম লিগ শিরোপা। স্লটের ওপর চাপ তাই আরও বেড়েছে। ম্যাচ শেষে গিবস–হোয়াইট বলেন, “এটা আশা করিনি, কিন্তু যা হয়েছে তা হয়েছে। আমি মাঠে শুধু দলকে সাহায্য করার চেষ্টা করেছি। আজ সবাই দুর্দান্ত খেলেছে। তিন পয়েন্টে খুশি, আশা করি এবার আমরা অবনমন অঞ্চলের বাইরে উঠতে পারবো।”
গত মৌসুমে অ্যানফিল্ডে লিভারপুলকে ১–০ গোলে হারিয়েছিল ফরেস্ট যা ছিল লিভারপুলের একমাত্র ঘরের মাঠে হার। এবারের জয় আরও একতরফা হতে পারতো। ফরেস্টের ইগর জেসুস ভেবেছিলেন তিনি লিগে প্রথম গোল পেয়েছেন, কিন্তু ভিএআর চেকের পর হ্যান্ডবল ধরা পড়ায় গোল বাতিল হয়।
লিভারপুল সুযোগ পেয়েছিল বেশ কয়েকবার। পুরো ম্যাচে ২১টি শট নিয়েছে স্লটের দল, ফরেস্টের শট ছিল ১৫টি। শুরুর দিকে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের প্রায় নিশ্চিত গোল ঠেকিয়ে দেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। ৩০০তম লিগ ম্যাচ খেলা মোহামেদ সালাহ দারুণ এক ক্রসে মিলোস কেরকেজকে গোলের সামনে দাঁড় করালেও তিনি বল উড়িয়ে মারেন। এরপর দোমিনিক সোবোস্লাই বক্সের বাইরে থেকে তড়িৎগতির এক শট নিলেও তা পোস্টের দিকে যাওয়ার আগেই ডিফেন্ডাররা ফেরত পাঠায়।
প্রকাশক: মোঃ শরিফুল ইসলাম। যোগাযোগ: মেডিকেল পূর্ব গেট, বুড়িরহাট রোড, রংপুর, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © RCTV. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।